প্রাথমিকে-আসছে-৮২-হাজার-শিক্ষক-নিয়োগের-বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিকে আসছে ৮২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি


শিক্ষক নিয়োগের সংশোধিত বিধিমালায় প্রাথমিকের ‘সহকারী প্রধান শিক্ষক’ নামে নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পদ সৃষ্টি হলে সারাদেশে প্রায় ৬৫ হাজার সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়া নিয়োগ দেওয়া হবে আরো ১৭ হাজার সহকারী শিক্ষক। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি- ৪) আওতাভুক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি আগামী সপ্তাহেই প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। দুই পদ মিলিয়ে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই মোট ৮২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি আসছে বলে জানা গেছে।


Hostens.com - A home for your website

সংশোধিত বিধিমালায় বিদ্যালয়ে ’সহকারী প্রধান শিক্ষক’ নামে নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পদ সৃষ্টি হলে প্রায় ৬৫ হাজার সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াসউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।

এ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বিধিমালা রোববার রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেছেন। শিগগিরই তা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গেজেট প্রকাশের পরই ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক পদে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকশূন্য হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে সারা দেশ থেকে শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আলোকে নতুন করে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

জানা যায়, ১৭ হাজার শিক্ষকের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ হাজার ও সহকারী শিক্ষক পদে সাত হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে (ডিপিই) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে গত বছরের জুনে ’সহকারী শিক্ষক নিয়োগ- ২০১৮’ বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে ডিপিই। ওই বছরের ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা হয়।

রেকর্ড সংখ্যক আবেদনকারী হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে বিপাকে পড়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এ কারণে কয়েক দফায় লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়। সর্বশেষ আগামী ১৫ মার্চ থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু করতে সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১৩ মার্চ ’জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ- ২০১৯’ পালন করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় আবারও পিছিয়ে যায় নিয়োগ পরীক্ষা। শতভাগ প্রস্তুতি থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়।

ডিইপি’র নিয়োগ শাখা সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারাদেশে প্রায় ৩০ হাজার সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য হয়েছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় আট হাজার এবং সহকারী শিক্ষক পদে প্রায় ২২ হাজার পদ রয়েছে। গত এক বছর ধরে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলেও এখনও নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

ডিইপি সূত্রে আরো জানা যায়, যেহেতু পিইডিপি- ৪ এর আওতায় এক লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এর আলোকেই নতুন আরেকটি নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে আগামী ১৩ মার্চের পর মন্ত্রণালয়ে একটি সভা করে লিখিত পরীক্ষা শুরু করতে পরবর্তী দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি নতুন করে ১৭ হাজার নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এসব শিক্ষক পিইডিপি- ৪ আওতাভুক্ত হবে। প্রকল্প শেষে তাদের রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

Facebook Comments

" চাকুরী " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ

Web Hosting and Linux/Windows VPS in USA, UK and Germany

Visitor Today : 69

Visitor Yesterday : 117

Unique Visitor : 145245
Total PageView : 152277