ভিডিও-গেমের-নেশা-আসলে-মানসিক-অসুখ

ভিডিও গেমের নেশা আসলে মানসিক অসুখ


ওয়াশিংটন: ভিডিও গেম, ছোট থেকে বড় এই নেশায় বুঁদ একটা প্রজন্ম। সবার গেম স্টেশন না জুটলেও নিদেনপক্ষে স্মার্ট ফোনের স্ক্রিনেও নিজের নেশার খোরাক জুটিয়ে নিয়েছে যুব প্রজন্ম। এই আসক্তি নিয়েই বিপদ বার্তা শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সাম্প্রতিক রিপোর্টে WHO-এর দাবি, ভিডিও গেম খেলার প্রতি ঝোঁক মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি তৈরি করে আর এই আসক্তি আসলে অসুখ। এই গেমের নেশা অর্থাৎ গেমিং ডিসঅর্ডার-কে হু মেন্টাল হেলথ ডিসঅর্ডার হিসেবে ব্যাখা করেছে। আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণীকরণের তালিকায় নয়া সংযোজন গেমিং ডিসঅর্ডার।


Hostens.com - A home for your website

ভিডিও গেম খেলা মানুষের প্রতিদিনের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। মনোরঞ্জনের বদলে ঘাটতি ঘটায় মনসংযোগে। তবে WHO-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কেউ ভিডিও গেম খেললেই তাঁকে এই গেমিং ডিসঅর্ডার-এর শিকারের তকমা দিয়ে দেওয়া যাবে, ব্যাপারটা এমন নয়। কেউ যদি দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল বা গেমিং স্টেশনে খেলাতেই বুঁদ হয়ে থাকে, তার ক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে সে এই অসুখে আক্রান্ত।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কেউ যদি গেম খেলায় দিনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে এবং চাইলেও এই গেম খেলা বন্ধ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেই বলা হয় ওই ব্যক্তি গেমিং ডিসঅর্ডারের শিকার। যে কোনও বয়সের মানুষই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার মতে, মেয়েদের থেকে ছেলেদের ভিডিও গেম খেলার প্রবণতা অনেক বেশি। তাই ছেলেদের এই গেমিং ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

Facebook Comments